বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৫ অপরাহ্ন

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনজিওর কিস্তি না দিলেও খেলাপি নয়

এখনই ডট কম ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ১৬৮ বার দেখা হয়েছে

করোনাভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর মতো এনজিওর ঋণের কিস্তি না দিলেও খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হতে হবে না।

এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ঋণ শ্রেণিকরণে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল এনজিওদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি-এমআরএ।

মহামারীর প্রকোপ দীর্ঘায়িত হওয়ায় মঙ্গলবার আরও তিন মাস বর্ধিত করা হয়েছে এই সময়। ফলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কোনো ঋণের শ্রেণিমান পরিবর্তন করা যাবে না।

মঙ্গলবার এমআরএ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

দেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাস মহামারীর নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় গত ২২ মার্চের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ১ জানুয়ারি ২০২০ ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত সময়ে ওই ঋণ তার চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।

নতুন নির্দেশনার ফলে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণ শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত ওই ঋণ তার চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোনো ঋণের শ্রেণি মানের উন্নতি হলে তা যথাযথ নিয়মে শ্রেণিকরণ করা যাবে।

এমআরএ’র নতুন সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব ও ক্ষুদ্র ঋণ গ্রাহকদের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ২২ মার্চ সার্কুলারের মাধ্যমে ঋণ শ্রেণিকরণের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমাণে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। অর্থাৎ এ সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করলেও কাউকে ঋণ খেলাপি ঘোষণা করা যাবে না। তবে কোনও ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।

“করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় শিল্প, সেবা ও ব্যবসা খাত তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না।

“এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব সহনীয় মাত্রায় রাখার লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।”

সার্কুলারে আরও বলা হয়, এই মহামারীকালে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ গ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনও আগ্রহী সক্ষম গ্রাহক ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনও বাধা থাকবে না।

স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ

করোনা ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

ইমেইল: news@akhone.com
কারিগরি সহযোগিতায়: নি-টেক
11223